এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো স্বাভাবিক হতে পারেনি নেপাল; কাটেনি দুর্যোগের ক্ষত। প্রলয়ংকরী এ বন্যায় দেশটিতে এখনো প্রায় ৬ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত নতুন মরদেহ মিলছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৫১ জনে। রবিবার নেপাল পুলিশের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
যেভাবে বিপর্যয়ের সূত্রপাত:
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এ বিধ্বংসী বন্যার সৃষ্টি হয়। অতিবৃষ্টির কারণে ভোতেকোশি নদীর পানির প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে উত্তর ও মধ্য নেপালের ঘরবাড়ি, যানবাহন, রাস্তাঘাট ও সেতু ভেসে যায়। এতে জনজীবন সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জেলাভিত্তিক প্রাণহানি:
নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, বন্যায় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে চিতওয়ান জেলায়—সেখানে নিহতের সংখ্যা ৩৬৭। এ ছাড়া রাসুয়ায় ২৩৬, পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ২৩২ এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ২২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর বাইরে নুওয়াকোট, গোর্খা, ধাদিং ও তানাহু জেলা থেকেও বহু মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকাজ ও মরদেহ শনাক্তকরণে জটিলতা:
দুর্যোগের এক মাস পরও নিখোঁজদের সন্ধানে নদী তীরবর্তী এলাকা, জমে থাকা পলিমাটি ও ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। সম্প্রতি রাসুয়ার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে ভারী গ্যাস কাটার ও গ্রাইন্ডার দিয়ে মাটি ও রডের জালের ভেতর আটকে থাকা ১৭টি মরদেহ বের করে আনা হয়েছে।
তবে উদ্ধার তৎপরতার চেয়েও বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে মরদেহ শনাক্তকরণ। পানিতে দীর্ঘদিন ভেসে থাকায় অনেক মরদেহে পচন ধরেছে এবং বিকৃত হয়ে পড়েছে। ফলে দ্রুত পরিচয় নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩০০ মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করা হয়েছে। স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ১১০ জনের মরদেহ।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও চরম মানবিক সংকট:
বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ভিটামাটি হারিয়ে অসংখ্য মানুষ এখন খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী আশ্রয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। দেশটির সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সড়ক ও সেতু মেরামতের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা ও শিক্ষাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।