এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আবারও ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি মাদরাসার চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের ইরানি পাহাড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের উদ্ধার অভিযান চলছিল।
ঘটনার বিবরণ
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা জানান, পাহাড়ধসের সময় 'খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা ও হেফজখানা'য় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন ছাত্রী পাঠগ্রহণ করছিল। হঠাৎ পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে মাদরাসা ভবনের ওপর পড়ে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী মাটির নিচে চাপা পড়ে। তাদের মধ্যে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী নিজে থেকেই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও বাকিরা আটকা পড়ে।
নিহত ও আহতদের পরিচয়
নিহত শিক্ষার্থীরা হলো:
১. রাশিদা বেগম (১৩) ব্লক-১১ এর বাসিন্দা হাসিম উল্লাহর মেয়ে।
২. উম্মে নেজাতুল (১৩) এফ-১ ব্লকের আবদুস শুকুরের মেয়ে।
৩. উম্মে সালমা (১২) ক্যাম্প-৩ এর আবদুস শুক্কুরের মেয়ে।
৪. উমাইসা বিবি (১৩) ব্লক-৮ এর মোহাম্মদ ইলিয়াছের মেয়ে।
আহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো— আসরা (৯), বেগম জান (১৫) এবং ফারেসা বিবি (১২)। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার অভিযান ও প্রশাসনের বক্তব্য
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, পাহাড়ধসের ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দা, রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থল থেকে ৪ জন ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত অবস্থায় ৭ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পাহাড়ধসের কারণে একটি মসজিদ ও একটি মাদরাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিস ও ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম জরুরি উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের সতর্কতা
গত তিন দিনে কক্সবাজারে পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে। এর মধ্যে ১২ জনই উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানান, গত রোববার থেকে বুধবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলায় ৫০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।
টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় কক্সবাজারের পাহাড়ঘেরা ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
মাগুরা | ২২ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ২২ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২২ আগস্ট, ২০২৬
নাটক | ২২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।