এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটেছে। বুধবার দুপুরের পর থেকে ভারী বর্ষণের সঙ্গে সাঙ্গু নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়ে রুমা বাজার এলাকাসহ নদী তীরবর্তী একাধিক স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বুধবার(৮জুলাই) বিকেলে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী।
তিনি ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত পরিবারগুলোর জন্য শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেথেলপাড়া সংলগ্ন পলি খালের সেতু, সদরঘাট থেকে আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার সড়কের সেতু, কলেজ থেকে সদরঘাটের মধ্যবর্তী সেতুসহ আরও বেশ কয়েকটি সেতু পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া রুমা বাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় আকারের গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা জানান, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে তাঁর ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী সব ফসলি জমি ও ছড়ার তীরবর্তী খামার পানির নিচে চলে গেছে। বিশেষ করে ধান ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে প্রবল স্রোতের কারণে পাইন্দু খাল, পলি খাল ও রুমা খালের বস বস করা পাড়া গুলোর লোকজন পানের বোম দিতে রয়েছে। তাছাড়া রুমা বাজারের সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ভোগ বেড়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। রুমা বাজার সহ নদীর তীরবর্তী সব পাড়া গ্রাম পানিতে ডুবে যাবে। এ অবস্থায় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
জুন ১৫, ২০২৬
অক্টোবর ১৪, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২২ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ২২ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ২২ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।