এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মক্কার মসজিদুল হারামের প্রধান ইমাম শায়খ ড. আবদুর রহমান আস-সুদাইস মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী তথা ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ উদযাপন থেকে মুসলমানদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসলামি শরিয়তে এ ধরনের উদযাপনের কোনো ভিত্তি নেই এবং এটি ধর্মের মধ্যে নবউদ্ভাবন বা ‘বিদআত’।
মহানবী (সা.)-এর পবিত্র সিরাত বিষয়ক এক আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে শায়খ সুদাইস এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে শায়খ সুদাইস উল্লেখ করেন, মহানবী (সা.), খোলাফায়ে রাশেদিন কিংবা সাহাবায়ে কেরাম—তাঁদের কেউই কখনো মিলাদুন্নবী উদযাপন করেননি। মুসলমানদের মূল দায়িত্ব হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহর অনুসরণ করা এবং দ্বীনের ভেতর নতুন কোনো প্রথার অনুপ্রবেশ না ঘটানো। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.)-এর সতর্কবাণী উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, “দ্বীনের ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবিত বিষয় থেকে সাবধান থেকো। কারণ প্রত্যেক নতুন বিষয়ই বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআতই পথভ্রষ্টতা।”
সাহাবিদের অবস্থান তুলে ধরে শায়খ সুদাইস বলেন, বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন, “তোমরা অনুসরণ করো, নতুন কিছু উদ্ভাবন কোরো না। তোমাদের জন্য যা নির্ধারিত রয়েছে, সেটাই যথেষ্ট।”* এছাড়া হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর উক্তি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, *“প্রত্যেক বিদআতই পথভ্রষ্টতা—মানুষ সেটিকে বাহ্যিকভাবে যত ভালোই মনে করুক না কেন।”
ইমাম ইবনে তাইমিয়ার বক্তব্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, শরিয়তের স্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো বিশেষ দিন, সময় বা মৌসুমকে ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন করা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত। রবিউল আউয়াল মাসে রাসুল (সা.)-এর জন্মদিন হিসেবে বিশেষ কোনো রাত বা অনুষ্ঠান উদযাপন করা পূর্ববর্তী নেককার মুসলিমদের (সালাফ) আমলবহির্ভূত। বরং এ ধরনের আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের (যেমন খ্রিস্টানদের) কিছু রীতির সাদৃশ্য রয়েছে।
শায়খ সুদাইস জোর দিয়ে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তাঁর সুন্নাহর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন। এ প্রসঙ্গে তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা আলে ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করেন, যেখানে আল্লাহ তাআলা বলেন:
“বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার অনুসরণ করো। আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপ ক্ষমা করবেন।”
বক্তব্যের শেষে মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা নিজেদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। সব ধরনের বিদআত ও পথভ্রষ্টতা পরিহার করে নবীজি (সা.)-এর পবিত্র সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরুন।”
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৪
মার্চ ২৮, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ২১ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ২১ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ২১ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ২১ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।