এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হককে তথাকথিত ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৬ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর ট্রাইব্যুনাল প্রধান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একরামুল হক হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের প্রাথমিক সত্যতা ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা শেষে প্রসিকিউশন দ্রুতই ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) পেশ করবে। পরবর্তীতে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়া এবং আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
কল রেকর্ড ও সেই ভয়াবহ স্মৃতি
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কথিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হক। র্যাব ও সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে স্বাভাবিক বন্দুকযুদ্ধ বলে দাবি করা হলেও, পরবর্তীতে একরামুলের মৃত্যুর মুহূর্তের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়ে গেলে সারা দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
ফাঁস হওয়া ওই কল রেকর্ডে একরামুলের শিশুকন্যাকে অত্যন্ত আকুতি নিয়ে বলতে শোনা গিয়েছিল, *“আব্বু, তুমি কানতেছ যে।”* এর পরপরই ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে আসে গুলির শব্দ, শোরগোল ও চিৎকার। মুঠোফোনে সরাসরি যুক্ত থেকে পরিবারের সদস্যরা একরামুলকে হত্যার নির্মম ঘটনার সাক্ষী হন।
তবে ঘটনার পরপরই তৎকালীন সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ হুমকি ও চাপের কারণে পরিবারটি বিচার চাওয়া দূরে থাক, কোনো মামলা পর্যন্ত দায়ের করতে পারেনি।
৫ আগস্টের পর নতুন প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একরামুল হকের বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডটি আবারও আলোচনায় আসে। তৎকালীন নির্যাতনের ভয় কাটিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে বিচারের দাবি তোলা হয়।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা বিষয়টি আমলে নিয়ে গভীর তদন্ত শুরু করে। তদন্তে শেখ হাসিনাসহ মোট ১১ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য প্রমাণ বেরিয়ে আসে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর সুপারিশ করে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলো।
জুলাই ৬, ২০২৬
জুলাই ২২, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ময়মনসিংহ | ২৬ জুলাই, ২০২৬
ক্রিকেট | ২৬ জুলাই, ২০২৬
নাটোর | ২৬ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।