এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, বেইজিংয়ের সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ৫২৮ মিটার উচ্চতার এই সুউচ্চ ভবনে বিমানটি আঘাত হানার পর চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে[3][5]। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ভবনের ওপরের তলা থেকে কাচ ও ধ্বংসাবশেষ নিচে আছড়ে পড়ছে[3][6]। নিচে মাটিতে বিমানের লেজের অংশ এবং কাছাকাছি থাকা একটি ট্যাক্সিক্যাবের জানালা ভাঙা অবস্থায় দেখা গেছে[2][6]। বিমানটির আঘাতে সুউচ্চ এই ভবনের কাচের প্যানেল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে[3][7]।
অনলাইনে প্রকাশিত বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও নিবন্ধন নম্বর বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, বিধ্বস্ত বিমানটি চীনে তৈরি ‘সানওয়ার্ড এসএ ৬০এল অরোরা’ (Sunward SA60L Aurora) মডেলের একটি হালকা স্পোর্টস বিমান[3][6]। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, স্থানীয় ‘শিফোসি বিমানবন্দর’ থেকে উড্ডয়নের প্রায় ৩০ মিনিট পর এটি বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে অবতরণের সময় নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়[8]। বিমানটি বেইজিংয়ের পূর্ব ফিফথ রিং রোডের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর হঠাৎ সংকেত হারিয়ে ফেলে এবং রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে[8]।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, উড্ডয়নের সময় বিমানটিতে কেবল চালক (পাইলট) একাই ছিলেন[8]। তবে এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি[3][7]। বেইজিংয়ের পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি[1][5]।
ঘটনাস্থলের কাছে কর্মরত এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তিনি বাজি ফোটার চেয়েও বিকট একটি শব্দ শোনেন[1][3]। তাকিয়ে দেখেন ভবনের একটি অংশে বিমানের ধ্বংসাবশেষ আটকে আছে[1]। ভবনটির ভেতর থাকা এক নারী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনার পরপরই তীব্র আতঙ্কের মধ্যে তাদের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়[3]। পরিস্থিতি এতটাই আকস্মিক ছিল যে তিনি নিজের ব্যাগ বা পরিচয়পত্র নেওয়ারও সুযোগ পাননি[3]।
ঘটনার পরপরই বেইজিং পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়[3][5]। সিআইটিআইসি টাওয়ারের চারপাশের সড়কগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়ে পুরো এলাকাটি অবরুদ্ধ (কর্ডন) করে ফেলা হয়েছে[1][3]। সেখানে বড় সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে[5][6]। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সংবেদনশীলতার কারণে ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষকে ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ[1][3]।
জুলাই ৬, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ অক্টোবর, ২০২৬
মাদারীপুর | ২ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।