এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম 'তাসনিম নিউজ'। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে এই দাবির সপক্ষে কোনো সরাসরি প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বরং মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত স্কট রিটারের একটি ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) পোস্টের বরাত দিয়ে এই খবর প্রচার করা হয়েছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হামলার সময় বেন-গিভর সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই তথ্যটি ছড়িয়েছে, সেটি প্রকৃতপক্ষে স্কট রিটারের কি না বা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেওয়া হয়নি। এর পরিবর্তে তারা কিছু পরিস্থিতিগত বিষয়ের অবতারণা করেছে। যার মধ্যে রয়েছে—সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর কোনো নতুন ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ না হওয়া, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের চারপাশে অস্বাভাবিক কড়াকড়ি, বিদেশি প্রতিনিধিদের সফর স্থগিত হওয়া এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর একটি ফোনালাপের অস্পষ্ট রেকর্ড।
এই প্রতিবেদন নিয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি প্রকাশিত হয়েছিল গত ৭ মার্চ, যখন তিনি বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন।
এটি প্রথমবার নয় যে, ইরানি সংবাদমাধ্যমে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়েছে। এর আগে ২ মার্চও কয়েকটি ইরানি গণমাধ্যম দাবি করেছিল যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়েছে এবং নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। তবে পরবর্তী সময়ে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম সেই দাবিকে ‘নিছক গুজব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল।
বর্তমানে এই দাবির সত্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চরম অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
মার্চ ১০, ২০২৬
অক্টোবর ১১, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৬ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।