এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের মাগুরা দাখিল মাদ্রাসায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় এক চরম হতাশাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য (ফেল) করেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। এই লজ্জাজনক ফলাফলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ১৭ জন শিক্ষক এবং চারজন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। পর্যাপ্ত জনবল ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ১৯ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস না করায় পাঠদানের মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এক-দুই বছর নয়, টানা প্রায় এক দশক ধরে মাদ্রাসাটির দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে এমন বিপর্যয় চলছে। শিক্ষকদের একটি বড় অংশ নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। অনেক শিক্ষক ভাঙ্গুড়া পৌর শহরে বসবাস করায় প্রত্যন্ত চলনবিল অঞ্চলে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানে আসা-যাওয়ায় অনিয়ম করেন বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে ১৯৭৫ সালে মাগুরা দাখিল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ২৬ বছর পর ২০০১ সালে এটি এমপিওভুক্ত হয়। তবে এমপিওভুক্ত হওয়ার দুই দশক পার হলেও কাটেনি অবকাঠামোগত সংকট। শ্রেণিকক্ষের অভাব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে শিক্ষার্থী হারাচ্ছে। সচেতন অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে তাদের সন্তানদের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছেন।
গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মাদ্রাসার শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়াশোনা করান না। অনেকেই নিয়মিত আসেন না, শুধু মাস শেষে বেতন তোলেন। এ কারণে সচেতন অভিভাবকরা এখন আর সন্তানদের এখানে ভর্তি করান না। প্রায় ১০ বছর ধরেই এই প্রতিষ্ঠানে ফলাফল বিপর্যয় চলছে।”
এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট জাকির হোসাইন দায় এড়িয়ে বলেন, “গ্রামের ছেলেমেয়েরা ঠিকমতো পড়ালেখা করে না। তাই ফলাফল খারাপ হয়েছে।”
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বলেন, “মাদ্রাসাটির সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। কেন এমন বিপর্যয় ঘটল, তার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিনের এই অবহেলা ও ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর তদারকি চান তারা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।