এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পণ্য উৎপাদনে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার বন্ধের নিয়ম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) গত মঙ্গলবার (২ জুন) এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি জারি করেছে [১]।
ইউএসটিআর-এর অভিযোগ, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে তালিকাভুক্ত দেশগুলো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে [১]। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মার্কিন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম অসম ও অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন [১]।
৩০১ ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে [১]। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই ৬০টি দেশের নীতি ও কার্যক্রম 'অযৌক্তিক' এবং এগুলো মার্কিন বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে [১]। এই যুক্তিতে ওয়াশিংটন বলছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ মার্কিন আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধ ও প্রয়োজনীয় [১]।
তালিকায় রয়েছে যেসব দেশ
জোরপূর্বক শ্রমের পণ্য আমদানি বন্ধের নিয়ম যথাযথভাবে না মানা দেশের তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, ওমান, জাপান, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইসরায়েল, জর্ডান, রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রধান বাণিজ্য অংশীদার দেশ [১]।
অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখে মার্কিন শ্রমিকেরা
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, "জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের প্রবেশ ঠেকাতে আমাদের প্রধান বাণিজ্য অংশীদাররা যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় [১]। এর ফলে আমেরিকান শ্রমিকদের বিশ্ববাজারে সমান সুযোগ ছাড়াই একটি অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে [১]।"
তদন্তের সূত্রপাত গত মার্চে
এর আগে গত ১২ মার্চ ইউএসটিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, পণ্য উৎপাদনে জোরপূর্বক শ্রম বন্ধে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ওয়াশিংটন [১]।
১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই তদন্ত চালানো হচ্ছে [১]। এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য হলো—সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইন, নীতি ও বাস্তব প্রয়োগ কতটা যৌক্তিক কিংবা বৈষম্যমূলক, তা খতিয়ে দেখা [১]। একই সঙ্গে এসব দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি বা অনুশীলন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর কোনো অন্যায্য বাধা বা বোঝা সৃষ্টি করছে কি না, তাও নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে [১]।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৮ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ১৮ জুলাই, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৮ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৮ জুলাই, ২০২৬
মাগুরা | ১৮ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।