এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বরিশালে অগ্রণী হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) লাঞ্ছিত করে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার আলোচিত ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বিএনপি বা যুবদলের কেউ নন বলে স্থানীয় নেতারা দাবি করলেও, ঘটনার সময়ে সিসিটিভি ফুটেজে এক যুবদল নেতার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
নতুন করে সামনে আসা ওই নেতার নাম আফাস উদ্দৌলা অলিদ। তিনি বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং একটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তবে অলিদ বর্তমানে যুবদলে সক্রিয় নন বলে দাবি করেছেন দলটির স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।
**ভিডিও ফুটেজে যা দেখা গেছে**
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজের শুরুতে দেখা যায়, ঘটনার দিন কথিত যুবদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান লিটুর সঙ্গেই অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডি আব্দুল আজিজের কক্ষে প্রবেশ করেন আফাস উদ্দৌলা অলিদ। এরপর তিনি কক্ষের এক কোণের চেয়ারে গিয়ে বসেন। লিটু যখন আব্দুল আজিজকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মেঝেতে ফেলে নির্যাতন করছিলেন, তখন হঠাৎ কক্ষের সিসি ক্যামেরার দিকে চোখ পড়ে অলিদের। এর পরপরই তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ধীরে ধীরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তবে সিসিটিভি ফুটেজে তাকে সরাসরি মারধরে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
এছাড়া আমিনুল মৃধা নামের আরও এক ব্যক্তিকে ঘটনার সময় সেখানে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা আমিনুল যুবদলের নাম ভাঙিয়ে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তবে চাঞ্চল্যকর এই ভিডিওতে তার উপস্থিতি স্পষ্ট থাকলেও মামলায় তার নামও আসামির তালিকায় রাখা হয়নি।
**ভুক্তভোগী ও দলীয় নেতাদের বক্তব্য**
এ বিষয়ে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডি আব্দুল আজিজ বলেন, "যাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও পরিকল্পনা ছিল, প্রাথমিকভাবে তাদের নামেই মামলা করেছি। অনেকের নাম তখন না জানায় এজাহারে দিতে পারিনি। পুলিশ ভিডিও ফুটেজ দেখে বাকিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে।"
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আফাস উদ্দৌলা অলিদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন দাবি করেন, "প্রাথমিক অভিযুক্ত লিটু আমাদের দলের কেউ নয়। আর সিসিটিভি ফুটেজে যাকে দেখা গেছে, সেই অলিদ একসময় জেলা যুবদলের দায়িত্বে থাকলেও পরে ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে চলে যাওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যুবদলে তার পদ থাকে না। তবে অলিদকে যুবদল থেকে আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।"
বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমিন জানান, অলিদ যে চরকাউয়া ইউনিয়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন, সেই কমিটি অনেক আগেই বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবুও সাবেক নেতা হিসেবে এই অনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই ৬, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ অক্টোবর, ২০২৬
এশিয়া | ৫ অক্টোবর, ২০২৬
আইন আদালত | ৫ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।