মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে[1]। তবে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে[1]।

আজ রোববার (৫ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান[1][2]।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের কারণে সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে[3][4]। এ অবস্থায় নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হলেও বিজিবি সীমান্তে কড়া নজরদারি বজায় রাখছে[1][3]। নাফ নদী ও সীমান্ত সংলগ্ন স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে[3][5]।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে[1]। সীমান্তের ওপারে বিস্ফোরণ ও গোলার শব্দের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক সৃষ্টি হলেও বাংলাদেশের সার্বিক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অবৈধভাবে কাউকে সীমানা অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না[4][5]।

সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত বিজিবি ও কোস্টগার্ডের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে[1][3][5]।