মহম্মদপুরে মধুমতীর তীব্র ভাঙন: হুমকির মুখে বসতভিটা ও ফসলি জমি, ইউএনওর পরিদর্শন

বিশ্বজিৎ সিংহ রায়, স্টাফ রিপোর্টার, মাগুরাঃ
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ৫:০৪ পিএম
শেয়ার করুন:
মহম্মদপুরে মধুমতীর তীব্র ভাঙন: হুমকির মুখে বসতভিটা ও ফসলি জমি, ইউএনওর পরিদর্শন

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মধুমতী নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আবাদি জমি, বসতঘর, গাছপালা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার সকালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বসুরধুলজুড়ী, ভোলানাথপুর, রুইজানী, গোপালনগর, হরেকৃষ্ণপুর, ঝামা, চরঝামা ও দেউলীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় মধুমতীর ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভিটেমাটি ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। প্রতিনিয়ত নদীর পাড় ভেঙে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

বুধবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর ভাঙনকবলিত এলাকা এবং ঝামা এলাকায় ৩০০ মিটার জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ভাঙনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি মো. মাসুদ রানাসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

এদিকে নদী তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দাবি, মধুমতীর ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে অল্প সময়ের মধ্যে বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে। তাই ভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।