এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
তৎকালীন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া দেশটির হাতে আর কোনো বিকল্প বা সুযোগ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার। ‘বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স’-এর একটি অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, “একটি পুরোনো ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সেই সংকটময় মুহূর্তে ভারতের যা করার কথা ছিল, ভারত ঠিক সেটাই করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, ওই সময় শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি কতটা জটিল হতে পারত, তা কারও জানা নেই।
শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে পৌঁছেছিলেন—সে প্রসঙ্গে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় দূত জানান, তাঁকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী নিয়ে যায়নি; বরং তিনি নিজেই বাংলাদেশের সামরিক বিমানে চড়ে ভারতে গিয়েছিলেন।
এদিকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে একটি সুগঠিত ও চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। যেহেতু এই প্রক্রিয়ায় আদালত যুক্ত রয়েছে, তাই এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা (টাইমফ্রেম) দেওয়া সম্ভব নয়।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই প্রত্যর্পণের পুরো প্রক্রিয়াটি আইনগত কাঠামোর ভেতর দিয়েই পরিচালিত হচ্ছে।
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।