এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মাদকাসক্তি প্রতিরোধে পরিবারের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবারের কিছু বিষয়ের ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরিঃ যেমন- পারিবারিক জীবনে নৈতিকতার চর্চা করাতে হবে, অভিভাবকদের যে কোনো ধরনের মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে, সন্তানকে রাত জাগা বা একা থাকা থেকে নিরুৎসাহিত করতে হবে, সন্তানের যে কোনো ধরনের সমস্যা বা ভুল যেন অভিভাবকদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে, এমন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, সন্তানকে খেলাধুলা বিশেষ করে সাংস্কৃতিকমনা করে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার জন্য উপদেশ দিতে হবে। কিশোর বয়সে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। নিছক কৌতূহল এবং নতুন অভিজ্ঞতা লাভের জন্য নেশা করে। অনেকের ক্ষেত্রে সামাজিক বা ব্যক্তিগত কোনো হতাশা থেকে শুরু হয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়েও অনেকে মাদকে ঝুঁকে পড়ে। এছাড়া মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে পারিবারিক অনেক কারণ আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। যেমন, পারিবারিক কলহ দিনের পর দিন চলতে থাকলে; মা-বাবা কিংবা ভাই-বোনদের মধ্যে কেউ মাদকাসক্ত হলে। এছাড়া অনেক পরিবার তার সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দেয় না । তাদের সমস্যা শুনতে চায় না। শিশু-কিশোরদের ওপর এসব জিনিস বিরূপ প্রভাব ফেলে। তখন তারা পরিবারের বাইরের সঙ্গ বেশি পছন্দ করতে শুরু করে। সেই সঙ্গ থেকেই অনেক শিশু-কিশোর মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। পরিবারের দায়িত্ব এসব দিকে নজর রাখা। পরিবার সচেতন হলেই এই সমস্যা অনেকাংশে দূর করা সম্ভব হবে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
চট্টগ্রাম | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
রাজশাহী | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
রাজনীতি | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।