এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ভেতরে বাচ্চা হওয়া পচা ডিম ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে [১]। গত বুধবার (১ জুলাই) সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় [১]। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'সুশীলন' দীর্ঘদিন ধরে এমন মানহীন খাবার দিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না [১]।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার ১৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় পাউরুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয় [১]। পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও, সাম্প্রতিক সময়ে খাবারের গুণগত মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে [১]।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরবরাহকৃত ডিমের একটি বড় অংশই নষ্ট এবং পাউরুটিগুলোতে ছত্রাক জমে আছে [১]। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া জানায়, তাকে যে ডিমটি দেওয়া হয়েছিল সেটি পচা ছিল এবং তা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত পানি বের হচ্ছিল [১]। এছাড়া পাউরুটিতে ছত্রাক থাকায় তা ফেলে দিতে হয়েছে [১]। চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবেল ও শাকিলও একই অভিযোগ করে জানায়, তাদের দেওয়া ডিমের কুসুমে পানি ও কালো রঙের স্তর পড়েছিল [১]।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, প্রায় প্রতিদিনই এ ধরনের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে [১]। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে একাধিকবার মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো সমাধান মেলেনি [১]। এই অস্বাস্থ্যকর ও মানহীন খাবার খেয়ে অনেক শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি [১]।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'সুশীলন'-এর এরিয়া ম্যানেজার সুমন হোসেন ডিম পচা থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন [১]। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি জানার পর পচা ডিমগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে [১]। তবে পাউরুটিতে ছত্রাক থাকার অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করেন [১]। একই সঙ্গে তিনি পাল্টা দাবি করে বলেন, অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের খাবার শিক্ষকেরা রেখে দেন এবং পরে তা বিতরণ করার কারণে হয়তো খাবারের মান নষ্ট হতে পারে [১]।
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকুমার মৈত্র জানান, বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাননি [১]। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি [১]।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জাতীয় | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।