এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত সমঝোতা চুক্তি নিয়ে খোদ রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ। কট্টরপন্থী দলীয় নেতাদের দাবি, এই চুক্তির ফলে তেহরানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই চুক্তিটিকে ‘প্রায় চূড়ান্ত’ বলে অভিহিত করলেও তার দলের অনেক আইনপ্রণেতা, সাবেক ক্যাবিনেট সদস্য এবং বিশ্লেষকরা এর কঠোর সমালোচনা করছেন। তাদের আশঙ্কা, এই সমঝোতার ফলে পুরো যুদ্ধটিই শেষ পর্যন্ত পণ্ডশ্রমে পরিণত হতে পারে।
কট্টরপন্থীদের হুঁশিয়ারি
টেক্সাসের রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ লিখেছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ইরান আক্রমণের সিদ্ধান্তটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখন মাঝপথে পিছু হটা ঠিক হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যে ইরান এখনো আমেরিকার ধ্বংস চায়, তারা যদি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পায় এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ রাখে, তবে তা হবে একটি বিপর্যয়কর ভুল।”
সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং রজার উইকারও এই সম্ভাব্য চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। সিনেটের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার প্রস্তাবিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এর ফলে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে অর্জিত সমস্ত সাফল্য বৃথা যাবে।
সমালোচকদের ‘লুজার’ আখ্যা দিলেন ট্রাম্প
সব সময় নিজেকে ‘সেরা চুক্তিপ্রণেতা’ হিসেবে দাবি করা ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য এই সমালোচনাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না। সমালোচকদের ‘লুজার’ (ব্যর্থ) আখ্যা দিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “যারা কিছু না জেনেই কথা বলছে, তাদের কথা শুনবেন না। এই চুক্তিটি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি।”
ট্রাম্পের দাবি, তার প্রশাসন যে চুক্তিটি নিয়ে কাজ করছে তা ওবামা আমলের চুক্তির ঠিক বিপরীত এবং অনেক বেশি শক্তিশালী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তি সম্পন্ন ও স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানি বন্দরে মার্কিন সামরিক অবরোধ কঠোরভাবে বহাল থাকবে।
পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত
দলের বড় একটি অংশ বিরোধিতা করলেও কেউ কেউ ট্রাম্পের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। কেনটাকির রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল মনে করেন, প্রতিটি যুদ্ধই আলোচনার মাধ্যমে শেষ হওয়া উচিত। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র না পায়, সে বিষয়ে ট্রাম্পের চেয়ে কঠোর অবস্থান আর কেউ নেননি।
যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও অর্থনৈতিক প্রভাব
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা দীর্ঘায়িত হয়েছে। জনমত জরিপ অনুযায়ী, এই যুদ্ধ মার্কিন জনগণের কাছে ক্রমেই অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এ পর্যন্ত এই অভিযানে ১৩ জন মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং ব্যয় হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।
ইরান বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার ফলে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই শান্তি চুক্তি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নওগাঁ | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।