আলীকদমে বন্যাদুর্গত ১৮৭ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

আবু জুয়েল নূর খান, আলিকদম প্রতিনিধি, বান্দরবানঃ
৯ জুলাই, ২০২৬ ৮:৫৬ পিএম
শেয়ার করুন:
আলীকদমে বন্যাদুর্গত ১৮৭ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ১৮৭টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম সেনা জোন।

বুধবার উপজেলার বন্যাকবলিত রোয়াম্ব পাড়া, আব্বাস কারবারি পাড়া, খুল্লামিয়া পাড়া ও মংচা পাড়ায় এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি বিরূপ আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতা উপেক্ষা করে নৌকাযোগে দুর্গত এলাকায় পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

সেনা জোন সূত্রে জানা যায়, মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবিক সংকটে পড়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু বসতবাড়ি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ত্রাণ বিতরণের প্রথম পর্যায়ে রোয়াম্ব পাড়ার ৪০টি, আব্বাস কারবারি পাড়ার ৯৭টি, খুল্লামিয়া পাড়ার ২০টি এবং মংচা পাড়ার ৩০টিসহ মোট ১৮৭টি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সেনা জোন।

ত্রাণ বিতরণকালে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব। দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।”

ত্রাণপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্যরা সেনাবাহিনীর এ সময়োপযোগী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে দ্রুত সহায়তা পাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে।

আলীকদম সেনা জোন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত রাখা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।