এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলাকে ‘যৌক্তিক’ ও ‘প্রয়োজনীয়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের (ন্যাটো) মহাসচিব মার্ক রুট। তিনি মনে করেন, চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পর তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এমন জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখানো অত্যন্ত জরুরি ছিল।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে তুরস্কের রাজধানী আংকারায় ন্যাটোর ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জোটের মহাসচিব মার্ক রুট এসব মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তেহরানের তেল বিক্রির বিশেষ লাইসেন্সও বাতিল করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন এই পদক্ষেপের ফলে দুই দেশের মধ্যকার আগে থেকেই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, “যখন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকে এবং ইরান মূলত সেটি লঙ্ঘন করে, তখন আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখানো অত্যন্ত জরুরি ছিল।”
ন্যাটোতে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি ও ইউরোপের লক্ষ্য
আংকারা শীর্ষ সম্মেলনে ইউরোপীয় নেতাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই সামরিক জোটে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে রাজি করানো। কারণ, ইরান যুদ্ধ ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সম্প্রতি ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়েছে।
তবে মার্ক রুট জোর দিয়ে বলেন, ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার কোনো সুযোগ নেই। তাঁর মতে, এই জোট মূলত যুক্তরাষ্ট্রকেও রক্ষা করতে কাজ করে।
প্রতিরক্ষা ব্যয় ও ট্রাম্পের জয়
ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বণ্টন নিয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে জোটের প্রধান বলেন, ইউরোপীয় ও কানাডিয়ানরা প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমপরিমাণ ব্যয় করবে—এমন প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ন্যায্য।
ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক বাজেট বাড়ানোর বিষয়টিকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন রুট। তিনি বলেন, “আজকের দিনের সবচেয়ে বড় জয় হলো—ইউরোপীয় ও কানাডিয়ানরা অবশেষে তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে ঠিক তা-ই করছে, যা করার কথা ছিল। এটি ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য একটি ক্ষতি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য একটি বড় জয়।”
জুলাই ১, ২০২৬
নভেম্বর ২৬, ২০২৫
জুলাই ২, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২২ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ২২ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ২২ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।