এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কম খরচে ও স্বল্প সেচে আশাতীত ফলন পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আউশ চাষে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও সরকারি প্রণোদনার সঠিক ব্যবহারে নতুন জাতের এই ধান আবাদ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।
সম্প্রতি সিংগারবিল ইউনিয়নে আউশ ধানের আনুষ্ঠানিক ‘নমুনা শস্য কর্তন’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন খান। এ সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১৫-২০ জন কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
নমুনা শস্য কর্তনের সময় ধানের চমৎকার ফলন দেখে কৃষকদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ ধান চাষে ভূগর্ভস্থ সেচের ওপর নির্ভরতা তুলনামূলক কম হওয়ায় উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। ফলে অল্প বিনিয়োগে বেশি মুনাফা অর্জনের এক নতুন দুয়ার খুলেছে বিজয়নগরে।
অভিজ্ঞতা জানিয়ে স্থানীয় কৃষক হাসেন সরকার বলেন, *“কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা পেয়ে এবারই প্রথম এই ধান চাষ করেছি। আগে আমাদের অঞ্চলে আউশের তেমন আবাদ হতো না। কিন্তু বর্তমান ফলন দেখে আমরা দারুণ আশাবাদী। এই ফসলে সেচ ও সার দুটোই খুব কম লাগে, অথচ উৎপাদন চমৎকার। কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা লাভজনক এই চাষে আগ্রহী হয়েছি। আগামীতে আমাদের এলাকার আরও বহু কৃষক আউশ আবাদে এগিয়ে আসবেন।”*
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিন খান জানান, সরকারি আউশ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর সিংগারবিল ইউনিয়নে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে—যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ (গত বছর ছিল ৫ হেক্টর)।
তিনি আরও বলেন, *“একই জমিতে ‘আউশ-আমন-বোরো’—এই তিন ফসলি চক্র সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষকরা সারা বছরই লাভবান হবেন। উৎপাদন বাড়ানো, কৃষকের খরচ কমানো এবং জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই কৃষি বিভাগের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে আমরা মাঠপর্যায়ে চাষিদের নিয়মিত আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ ও প্রণোদনা দিচ্ছি।”*
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কম পানির প্রয়োজনে আউশ চাষ যেমন পরিবেশবান্ধব ও ভূগর্ভস্থ পানি সাশ্রয়ী, তেমনি এটি পতিত বা কম ব্যবহৃত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বড় ভূমিকা রাখবে। সিংগারবিলের কৃষকদের এই দৃশ্যমান সাফল্য দেখে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও আউশ চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২০ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২০ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২০ আগস্ট, ২০২৬
কক্সবাজার | ২০ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ২০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।