দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ২১ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি, কুষ্টিয়াঃ
৯ জুলাই, ২০২৬ ৮:১৪ পিএম
শেয়ার করুন:
দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ২১ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ২১ লাখ ৬ হাজার ৫৭৫ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে উদ্ধার হওয়া সকল মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্য মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করা হয়।

প্রথম অভিযানে প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার গরুরা বটতলা এলাকায় বিজিবির একটি টহল দল ৭ দশমিক ৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে। জব্দকৃত গাঁজার আনুমানিক সিজার মূল্য ২৬ হাজার ২৫০ টাকা।

একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শেওড়াতলা বিওপির দায়িত্বাধীন শেওড়াতলা মাঠে অভিযান চালিয়ে ১০ বোতল ভারতীয় মদ, ৪০০টি ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৪০০টি সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে চল্লিশপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চল্লিশপাড়া মাঠে পরিচালিত অভিযানে ৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৯৯০টি ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৫০০টি সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ২৮৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৫ টাকা।

একই দিনে রামকৃষ্ণপুর বিওপির দায়িত্বাধীন মোহাম্মাদপুর কলাবাগান মাঠে অভিযান চালিয়ে ১ দশমিক ৩ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ৯৬০টি ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ১ হাজার ৫০০টি সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৭ লাখ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা।

এছাড়া আশ্রায়ন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পুরাতন ঠোটারপাড়া মাঠে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে ১ হাজারটি ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ১ হাজারটি সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ১২০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৬ হাজার ৬০০ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত সকল মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও একই দৃঢ়তা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।