এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কলকাতার রেড রোডে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আয়োজন এবং রাস্তা বন্ধ রাখাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ওই স্থানে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি না দেওয়া এবং যোগ দিবসের জন্য দীর্ঘ সময় রাস্তা বন্ধ রাখার বিষয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের প্রশ্নের জবাবে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি প্রকাশ্যেই মন্তব্য করেছেন, নামাজ পড়ার জন্য প্রয়োজনে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে চলে যেতে।
যোগ দিবসের প্রস্তুতি ও রাস্তা বন্ধের সিদ্ধান্ত
আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরদিন রোববার রেড রোডের মূল কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি। এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচির প্রস্তুতি হিসেবে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক রেড রোড টানা সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত রোববার রাত ১০টা থেকে আগামী রোববার (২১ জুন) পর্যন্ত এই রাস্তায় সব ধরনের যান চলাচল স্থগিত রেখে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চালানো হচ্ছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রশ্ন ও আপত্তি
রেড রোড এভাবে দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখায় প্রশ্ন তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি ঐতিহাসিক রেড রোডে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি, যার ফলে বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নামাজ আদায় করতে হয়েছিল। ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশ্ন— ধর্মীয় আচার হিসেবে ঈদের নামাজের জন্য যদি রেড রোডের অনুমতি না দেওয়া হয়, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য কেন এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাত দিন বন্ধ রাখা হচ্ছে?
দিলীপ ঘোষের কড়া প্রতিক্রিয়া
গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্য মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সড়ক বন্ধের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী যেখানেই যান, নিরাপত্তার স্বার্থে রাস্তা বন্ধ রাখতে হয়। অন্য কোনো ব্যস্ত সড়কের চেয়ে রেড রোডে যান চলাচল তুলনামূলক কম বলেই এখানে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।"
তবে ঈদের নামাজের প্রসঙ্গ আসতেই তিনি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে বলেন, "উনারা কোন ‘হরি-দাস-পাল’ যে তাদের জন্য রাস্তা আটকাতে হবে? প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাস্তা আটকানো যেতেই পারে। প্রধানমন্ত্রী বছরে একবারই আসেন।"
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ করে সরাসরি তিনি আরও বলেন, "১০৭ বছর ধরে তো এভাবেই চলেছে, একবার বন্ধ করাতে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? যান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে চলে যান, সেখানে গিয়ে নামাজ পড়ুন—কেউ কিছু বলবে না। এখানে এসব আর চলবে না। সরকার পাল্টে গেছে, এসব বন্ধ করার জন্যই মানুষ পরিবর্তন এনেছে এবং এগুলো বন্ধই হবে।"
এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৭ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৭ জুন, ২০২৬
বিনোদন | ১৭ জুন, ২০২৬
ফুটবল | ১৭ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।