যাবজ্জীবন সাজা মাথায় নিয়ে অবশেষে পুলিশের জালে মাসুম
ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে বরিশালের আগৈলঝাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (তারিখ উল্লেখ করতে পারেন, না থাকলে বাদ দিন) রাতে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আমবৌলা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. মাসুম হাওলাদার। তিনি আমবৌলা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৫ জুলাই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ মাসুম হাওলাদারকে আটক করেছিল ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। সে সময় পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান মাসুম।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর, আসামির অনুপস্থিতিতেই ঢাকার একটি আদালত সম্প্রতি ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ গ্রাম থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করেন।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার তাকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
---
### সংস্করণ ২: অনলাইন পোর্টাল স্টাইল (সাবলীল ও আধুনিক)
**শিরোনাম: জামিনে গিয়ে লাপাত্তা, যাবজ্জীবন সাজা মাথায় নিয়ে অবশেষে পুলিশের জালে মাসুম**
ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. মাসুম হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আমবৌলা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুলাই বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মাসুম। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। কিছুদিন কারাভোগের পর আদালত থেকে জামিন পেয়েই গা ঢাকা দেন তিনি।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকাবস্থায় ঢাকার সংশ্লিষ্ট আদালত সম্প্রতি তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই পুলিশ তাকে খুঁজছিল। অবশেষে রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তারের পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামিকে বরিশাল আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?
মোঃ মনিরুজ্জামান, অগৈলঝরা প্রতিনিধি, বরিশালঃ