এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শীতের নরম রোদ আর কুয়াশা ভেজা সকালে মাগুরার গ্রামাঞ্চলের উঠোনজুড়ে এখন দেখা যাচ্ছে এক চিরচেনা দৃশ্য-চাল কুমড়ার বড়ি তৈরির ব্যস্ততা। মৌসুমি এই খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া গ্রামীণ জীবনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। মাগুরা জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামের নারীরা শীতকালকে উপযোগী সময় হিসেবে বেছে নিয়ে চাল কুমড়া ও ডাল দিয়ে তৈরি করছেন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই বড়ি,যা সারা বছর সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরের কুয়াশা কাটতে না কাটতেই সূর্যের আলো ফুটে উঠলে গ্রামের বাড়ির উঠোনে শুরু হয় বড়ি তৈরির কর্মযজ্ঞ। প্রথমে তাজা চাল কুমড়া ভালোভাবে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে কুঁচি করা হয়। এরপর মাষকলাই বা মসুর ডাল কয়েক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে মিহি করে বাটা হয়। পরে কুঁচানো চাল কুমড়ার সঙ্গে ডাল বাটা,লবণ ও প্রয়োজনীয় মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয় বড়ির মূল মিশ্রণ।
এরপর পরিষ্কার কাপড়,পলিথিন বা বাঁশের তৈরি চালুনির ওপর ছোট ছোট আকারে এই মিশ্রণ বসিয়ে রোদে শুকানোর জন্য রাখা হয়। অনেকেই উঠোনে টানানো পরিষ্কার সুতির দড়ির ওপর কাপড় বিছিয়ে তার ওপর বড়ি শুকান। এতে বাতাস চলাচল সহজ হয় এবং সূর্যের আলো সমানভাবে পড়ায় বড়ি দ্রুত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শুকিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,সাধারণত টানা দুই থেকে তিন দিন রোদে শুকানোর পর বড়ি শক্ত হয়ে যায় এবং তখন তা সংরক্ষণের উপযোগী হয়। পরে এসব বড়ি বিভিন্ন তরকারি,ডাল বা মাছের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া হয়,যা খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা গ্রামের করুনা দত্ত, বলেন,“শীতকাল এলেই আমরা চাল কুমড়ার বড়ি তৈরি করি। এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এবং রান্না করলে খুবই সুস্বাদু লাগে। পরিবারের সবাই এটি পছন্দ করে।
খাদ্য হিসেবে চাল কুমড়ার বড়ি শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। চাল কুমড়ায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান এবং ডালে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন যা শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্থানীয়দের মতে,আধুনিক সংরক্ষণ পদ্ধতির প্রসার ঘটলেও গ্রামাঞ্চলে এখনো চাল কুমড়ার বড়ি তৈরির ঐতিহ্য সমানভাবে জনপ্রিয় রয়েছে। এটি একদিকে যেমন খাদ্য সংরক্ষণের একটি কার্যকর পদ্ধতি,অন্যদিকে গ্রামীণ সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও পারিবারিক বন্ধনের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নভেম্বর ২৪, ২০২৪
মার্চ ৩০, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ জুলাই, ২০২৬
ময়মনসিংহ | ২ জুলাই, ২০২৬
মেহেরপুর | ২ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ২ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।