এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সাভারে ভবঘুরে বা মানসিক ভারসাম্যহীনের ছদ্মবেশ নিয়ে গত সাত মাসে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। কখনো বৃদ্ধা, কখনো কিশোরী আবার কখনো যুবক—একে একে ছয়জনকে খুন করেছেন তিনি। আপাতদৃষ্টিতে মানসিক রোগী মনে হলেও আদতে তিনি এক ঠান্ডা মাথার ‘সিরিয়াল কিলার’। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট নিজেই এসব লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সাভার মডেল থানার সামনে থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। রোববার দুপুরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর থেকে এক কিশোরীসহ দুজনের পোড়া লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সাভার থানা চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস অ্যান্ড ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাট পাগলের মতো আচরণ করলেও আসলে তিনি পাগল নন। তিনি মানসিক বিকারগ্রস্ত (সাইকো টাইপ)। তিনি গত সাত মাসে ছয়টি খুন করেছেন। ভুক্তভোগীদের শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তিনজনের লাশ তিনি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মাত্র একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, সম্রাটের হত্যার মিশন শুরু হয় ২০২৫ সালের ৪ জুলাই। ওই রাতে সাভার মডেল মসজিদের সামনে আসমা বেগম নামের এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। এরপর সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনটি হয়ে ওঠে তার অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে গত বছরের ২৯ আগস্ট এক যুবককে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেন।
এর প্রায় এক মাস পর ১১ অক্টোবর একই স্থান থেকে আরেক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়, যাকেও সম্রাট হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন। ১৯ ডিসেম্বর ওই ভবনের ভেতরেই আরেক যুবককে হত্যা করেন তিনি। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে এক কিশোরীসহ দুজনকে হত্যার পর তাদের মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেন এই ঘাতক।
সাভার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন জানান, কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের প্রায় সবাই ভবঘুরে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটকের আগের রাতেও (রোববার) কমিউনিটি সেন্টারে এক ভবঘুরে নারীকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল সম্রাটের।
তিনি আরও জানান, সম্রাট প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে থানার আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন। সন্দেহ এড়াতে তিনি একেক দিন একেক রকম পোশাক পরতেন এবং অগোছালো কথাবার্তা বলতেন। ফলে সবাই তাকে পাগল মনে করত।
কমিউনিটি সেন্টার থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সাভার থানার উপরিদর্শক (এসআই) সাখাওয়াত ইমতিয়াজ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সম্রাটসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ‘রিমান্ড মঞ্জুর হলে সম্রাটকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। স্বীকার করা ছয়টি হত্যাকাণ্ডের বাইরে তিনি আরও কোনো অপরাধে জড়িত কি না এবং তার সঙ্গে অন্য কেউ আছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে।’
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ঢাকা | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।