এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালীতে থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি অংশ ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও উদ্ধার হয়নি। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব অস্ত্র আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানা থেকে লুট করা হয় মোট ১১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ হাজার ২০২টি গোলাবারুদ এবং ১৩টি গ্যাসগান। এর মধ্যে অধিকাংশ উদ্ধার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫ হাজার ১৩২টি বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ ও ২টি গ্যাসগান। উদ্ধার না হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে, চায়না রাইফেল ৭টি, এসএমজি ১টি, পিস্তল ৪টি, শর্টগান ৮টি। রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসব অস্ত্র বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
হাতিয়া ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র যেমন উদ্ধার হয়নি, তেমনি অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানিও রয়েছে। দ্রুত এসব অস্ত্র উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত জরুরি।
নোয়াখালী-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছাইফ উল্লাহ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী হলেও পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নই। কারণ এখনো এজাহারভুক্ত ও অতীতের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরাও।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক যুবক বলেন, থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখনো জব্দ হয়নি। আমরা চাই, এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করা হোক।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত ৯৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫ হাজার ৭০টি গোলাবারুদ ও ১১টি গ্যাসগান উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দা কার্যক্রমসহ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত দেড় মাসে আরও ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে থানা লুটের ৫ রাউন্ড গুলিও রয়েছে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা পুলিশ ও যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অস্ত্র উদ্ধারে নির্দিষ্ট তথ্য পেলে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
নভেম্বর ২৩, ২০২৪
এপ্রিল ৮, ২০২৬
নভেম্বর ২২, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
পাবনা | ৪ আগস্ট, ২০২৬
পাবনা | ৪ আগস্ট, ২০২৬
পাবনা | ৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।