এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ১৯৬৩ সালে স্থাপিত জাতীয় গ্রিডের ১৩২ কেভি (১ লাখ ৩২ হাজার ভোল্ট) উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উপজেলার শীলছড়ি ওয়াপদা এলাকা সংলগ্ন এই লাইনের ৯২৩ ও ৯২৪ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী তারগুলো বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে মাত্র ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচুতে ঝুলছে। ফলে এর নিচে ও আশপাশে বসবাসকারী প্রায় অর্ধশত পরিবার প্রতিনিয়ত চরম আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ষাটের দশকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এই সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে লাইনটি নির্ধারিত নিরাপদ উচ্চতায় থাকলেও দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময়ে এতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। কালের পরিক্রমায় পিলারের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং দীর্ঘদিনের ভারে তারগুলো ক্রমশ নিচের দিকে ঝুলে পড়েছে। বর্তমানে এই উচ্চ ভোল্টেজের তারের ঠিক নিচ দিয়েই প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের পাহাড়ের কৃষিকাজে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. নাসির উদ্দীন উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই গাছের ডালপালা বা পাতার স্পর্শে তারগুলোতে বিকট শব্দে শর্টসার্কিট ও অগ্নিকাণ্ডের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইতিপূর্বে এই এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বেলাল নামের এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যুও হয়েছে। বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে দ্রুত এই হাই ভোল্টেজ লাইনটি নিরাপদ উচ্চতায় স্থানান্তরের জোর দাবি জানান তিনি।
সরেজমিনে শীলছড়ি ওয়াপদা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও চলাচলের পথের ওপর দিয়ে তারগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঝুলে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি স্থানীয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে একাধিকবার মৌখিকভাবে জানানো হলেও দীর্ঘ দিনেও কোনো স্থায়ী প্রতিকার মেলেনি।
এ বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ-এর জিএমডি রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সুবীর কান্তি নাথ জানান, “লাইনটি যখন স্থাপন করা হয়েছিল, তখন ওইসব এলাকায় কোনো বসতি ছিল না। ফলে টাওয়ারগুলো অনেক দূরে দূরে স্থাপন করা হয়েছিল। ছয় দশকের পুরোনো হওয়ায় দূরত্বের কারণে তারগুলো কিছুটা নিচের দিকে নেমে গেছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর আমরা সম্প্রতি সরেজমিন পরিদর্শন ও বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করেছি।”
তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। পুরো সঞ্চালন লাইনটি মূলত কাপ্তাই থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। ইতিমধ্যে হাটহাজারী থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ অংশের কাজ আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। কাপ্তাই অংশের সংস্কারে কিছু কারিগরি যাচাই-বাছাই ও আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন রয়েছে। তাই প্রক্রিয়াটি শেষ করে মূল কাজ শুরু হতে কিছুটা সময় লাগবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার নামে সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। কোনো বড় ধরনের বিপর্যয় বা প্রাণহানির আগেই কাপ্তাইয়ের শীলছড়ি অংশের ৯২৩ ও ৯২৪ নম্বর পিলারসহ পুরো ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।