এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে ৫ হাজার নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে তিন মাসের বিশেষায়িত ডায়ালাইসিস প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এ দুই ক্যাটাগরিতে মোট আড়াই হাজার নতুন পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এবং প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার গড়ে তোলা হবে। জেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার তিন বছর পর উপজেলা পর্যায়েও এ সুবিধা সম্প্রসারণে একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, ইতোমধ্যে ১২০ জন নার্সকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনে ৯০ জন, পাবনায় ২০ জন এবং রাজশাহীতে ১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই সিলেটসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (নিকডু) এবং ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে প্রতি ব্যাচে ৫০ থেকে ১০০ জন করে প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেবেন। সরকারি মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের মধ্য থেকে যাদের চাকরিকাল ন্যূনতম দুই বছর এবং বয়স সর্বোচ্চ ৪০ বছরের মধ্যে, তারা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।
প্রান্তিক রোগীদের ভোগান্তি লাঘবের উদ্যোগ
কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটির (ক্যাম্পস) তথ্যানুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনো কিডনি রোগে ভুগছেন। এদের মধ্যে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার রোগী পুরোপুরি ডায়ালাইসিসনির্ভর হয়ে পড়েন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, দেশে বিদ্যমান প্রায় ১৪৬টি ডায়ালাইসিস সেন্টারের প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য বড় শহরে ছুটতে হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। জেলা পর্যায়ে এ সেবা চালু হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন আসবে।
স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকের সংকট দূর করতে শিক্ষানবিশ (প্রবেশনারি) চিকিৎসকদের নিজ নিজ উপজেলায় পদায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো উপজেলায় চিকিৎসক সংকট থাকলে পার্শ্ববর্তী উপজেলা বা জেলা থেকে সমন্বয় করা হবে।
এছাড়া দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার প্রস্তাব একনেকে উপস্থাপন, চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের স্বয়ংক্রিয় পদায়ন নিশ্চিতকরণ এবং রাজধানীর মিরপুরে একটি ৬০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।
মার্চ ২৬, ২০২৪
মে ২৫, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ক্যাম্পাস | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাগুরা | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।