এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় সার কিনতে গিয়ে নদী পারাপারের বিড়ম্বনা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা আর বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত পরিবহন খরচে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ১২টি গ্রামের কৃষকরা। এ ভোগান্তি নিরসন এবং উৎপাদন খরচ কমাতে বিশা ইউনিয়নের ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে অবিলম্বে একজন সার ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এ দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর গণস্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই-গুড় নদী। নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত হরিপুর, সুদরানা, বিশা, বৈঠাখালী, ডুবাই, উদয়পুর, পারমোহনঘোষ ও থলওলমাসহ অন্তত ১২টি গ্রাম। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের দক্ষিণ তীরের কৃষকদের সার সংগ্রহের একমাত্র ভরসা নদীর উত্তর তীরের সমসপাড়া বাজার। ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত একজন বিসিআইসি এবং দুইজন বিএডিসি সারের ডিলারের সব দোকানই ওই বাজারে অবস্থিত। ফলে জরুরি প্রয়োজনে সামান্য সার আনতেও দক্ষিণ তীরের কৃষকদের খেয়া পার হয়ে ওপারে যেতে হচ্ছে।
হরিপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক ও বৈঠাখালী গ্রামের সাইদুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মাত্র ৫–১০ কেজি সারের প্রয়োজন হলেও নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে ছুটতে হয়। খেয়ানৌকার অপেক্ষায় ঘাটে বসেই দিনের অর্ধেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। এতে কৃষিকাজের পাশাপাশি সংসারের দৈনন্দিন কাজকর্মেও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে।”
ডুবাই গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম জানান, নদী পার হয়ে সার আনতে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ৬০ থেকে ৭০ টাকা শুধু পরিবহন খরচই চলে যায়। ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন ডিলার নিয়োগ করা হলে কৃষকেরা অল্প সময়ে ও কম খরচে ভ্যান বা স্থানীয় পরিবহনে সার নিতে পারবেন। এতে ফসল উৎপাদনের খরচ যেমন কমবে, তেমনি বাঁচবে মূল্যবান সময়।
এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী জানান, বিশা ইউনিয়নে নতুন সার ডিলার নিয়োগের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১২টি আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনগুলো বর্তমানে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
আবেদনের প্রাপ্তি স্বীকার করে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, “ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে নতুন সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে কৃষকদের গণস্বাক্ষর সংবলিত একটি আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে কৃষকদের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।