এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বাংলাদেশে ডিজিটাল নাগরিক সেবা প্রদানে এক নতুন ও বৈপ্লবিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে দেশের নাগরিকদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম। এর আওতায় কোনো শিশু জন্মের পরপরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার নামে একটি ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি’ বা সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয়পত্র তৈরি হয়ে যাবে। এই একটিমাত্র আইডির মাধ্যমে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পাসপোর্ট, ভূমি সেবাসহ সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। ফলে নাগরিকদের আর আলাদা আলাদা পরিচয়পত্র ব্যবহারের কিংবা বিভিন্ন দপ্তরে বারবার একই তথ্য জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের ভাবনায় এ যুগান্তকারী উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। বিশ্বব্যাংক সমর্থিত ‘ডি-স্টার’ (ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাক্সেস অ্যান্ড রেজিলিয়ান্স) প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মূলত এস্তোনিয়া এবং সিঙ্গাপুরের আধুনিক ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেন্টিটি মডেলটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
যেভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা:
পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালে কোনো শিশুর জন্ম হলে তার তথ্য সরাসরি জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থায় যুক্ত হবে এবং বাবা-মায়ের এনআইডি তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে নবজাতকের জন্য একটি স্থায়ী ডিজিটাল আইডি তৈরি হবে। যারা ঘরে জন্ম নেবে, তাদের জন্যও থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে যুক্ত থাকবে জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভূমি সেবা ও বিআরটিএ-সহ সরকারের বিভিন্ন সেবা বিভাগ।
স্মার্টফোনভিত্তিক ‘ডিজিটাল ওয়ালেট’:
ডিজিটাল আইডির পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি স্মার্টফোনভিত্তিক ‘ডিজিটাল ওয়ালেট’ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে নাগরিকের পরিচয়পত্র, প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি সুরক্ষিত থাকবে। এটি ডিজিটাল ক্রেডেনশিয়াল ও প্রয়োজনে সরাসরি ফিজিক্যাল পরিচয়পত্রের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা:
সব তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকলেও নাগরিকদের তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন এবং জাতীয় ডেটা গভর্নেন্স নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পুরো ব্যবস্থা পরিচালিত হবে। নাগরিকের সুস্পষ্ট সম্মতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেয়ার করা হবে না।
মে ২৪, ২০২৬
ফেব্রু ২১, ২০২৬
ফেব্রু ২৫, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
চট্টগ্রাম | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
রাজশাহী | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
রাজনীতি | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।