এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইউরোপের উন্নত জীবনের স্বপ্নে লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন ৩৮ জন বাংলাদেশিসহ ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। তবে মাঝসমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল ও দিকভ্রষ্ট হয়ে টানা ১০ দিন খাদ্য-পানীয়হীন অবস্থায় মৃত্যুর মুখোমুখি হন তারা। তীব্র তাপদাহ ও অনাহারে একে একে মারা যান ৯ জন বাংলাদেশি ও ১ জন সুদানি নাগরিক। দীর্ঘদিন সাগরে ভেসে থাকায় পচন ধরায় বাধ্য হয়ে মৃত সহযাত্রীদের মরদেহ পানিতে ভাসিয়ে দিতে হয় জীবিতদের।
মিশরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সেদিনের সেই দুঃসহ স্মৃতির বর্ণনা দিয়েছেন বেঁচে ফেরা সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম।
আব্দুল করিম বলেন, "আমাদের কাছে খাবার বা পানি কিছুই ছিল না। চোখের সামনেই অনাহারে-তৃষ্ণায় ৯ জন বাংলাদেশি ভাই মারা যান। দীর্ঘদিন সাগরে থাকার কারণে মরদেহগুলোতে পচন ধরে যায়, ফলে তাদের সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হই আমরা। দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানিতে ভেসে থাকায় আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানেও পচন ধরেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দয়া করে আমাদের বাঁচান, আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই।"
তিনি আরও জানান, গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর তাদের নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। এরপর আর সামনে এগোনো সম্ভব হয়নি। সেই চরম বিপদের মুহূর্তে মানবপাচারকারী দালাল চক্র কিংবা অন্য কোনো সংস্থা তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।
কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট মানবপাচার চক্রের সহায়তায় ৩৮ জন বাংলাদেশি ও চারজন সুদানিসহ মোট ৪২ জন লিবিয়ার তবরুক উপকূল থেকে একটি রাবারের নৌকায় গ্রিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ইঞ্জিনচালিত ওই নৌকাটিতে কোনো উপযুক্ত নেভিগেশন ব্যবস্থা ছিল না। যাত্রীদের মাত্র ৩৬ ঘণ্টার পথের আশ্বাস দেওয়া হলেও মাঝপথে নেভিগেশন ত্রুটি ও জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় নৌকাটি দিক হারিয়ে সাগরে ভাসতে থাকে।
টানা ১০ দিন তীব্র রোদ ও অনাহারে পানিশূন্য হয়ে ১০ জন যাত্রী প্রাণ হারান। এরপর গত ১৩ আগস্ট দিকভ্রষ্ট নৌকাটি ভাসতে ভাসতে মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছালে স্থানীয় পুলিশ ২৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় থাকায় তাদের দ্রুত মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় চিকিৎসকরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করছেন। সুস্থ হয়ে এখন নিজ দেশে ফেরার আকুল আবেদন জানিয়েছেন বেঁচে ফেরা বাংলাদেশিরা।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জাতীয় | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
জাতীয় | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
জাতীয় | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ১৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।