এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ঢাকার পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দম্পতি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের পক্ষে উচ্চ আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে আসামিপক্ষে আইনি লড়াই চালাতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে ‘স্টেট ডিফেন্স’ (রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আইনজীবী) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের পক্ষ থেকে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
যেভাবে আইনজীবী নিয়োগ হলো
গত ১৭ জুন বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিতে সলিসিটরকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন তিনি দণ্ডিত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার পক্ষে উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই চালাবেন।
আইনজীবীর প্রস্তুতি ও বক্তব্য
নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান জানান, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্ন আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে হাইকোর্টের অনুমোদন ছাড়া তা কার্যকর করা যায় না, যা মূলত ‘ডেথ রেফারেন্স’ নামে পরিচিত। ন্যায়বিচার নিশ্চিতের স্বার্থে আসামির যদি নিজস্ব আইনজীবী না থাকে, তবে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া আইনেরই অংশ। সেই আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তিনি এই দায়িত্ব পেয়েছেন।
মামলার বর্তমান অবস্থা ও নিজের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, “মামলার পেপারবুক ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে এবং আমি তা হাতে পেয়েছি। এখন আমার প্রধান কাজ হলো এই পেপারবুকটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা। পর্যালোচনা শেষ করে শুনানির জন্য আমি আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করব।”
আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের কৌশল প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাকে যেহেতু আসামিপক্ষকে ডিফেন্ড করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাই নিম্ন আদালতের সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জাজমেন্ট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে আমাকে কথা বলতে হবে। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনার পর যদি দেখা যায় নিম্ন আদালতের রায়ে কোনো আইনগত ত্রুটি রয়েছে, তবে মাননীয় হাইকোর্ট তা সংশোধন করবেন। আর যদি সব তথ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া সঠিক থাকে, তবে আদালত তা বহাল রাখবেন। আমি আইনগতভাবে আসামিপক্ষকে ডিফেন্ড করার জন্য আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সলিসিটর উইংয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হবে।
মামলার প্রেক্ষাপট
এর আগে গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ১০ আগস্ট, ২০২৬
ওটিটি | ১০ আগস্ট, ২০২৬
ক্রিকেট | ১০ আগস্ট, ২০২৬
ভারত | ১০ আগস্ট, ২০২৬
কুড়িগ্রাম | ১০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।