রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি

অনলাইন ডেস্কঃ
৯ আগস্ট, ২০২৬ ১:৩২ পিএম
শেয়ার করুন:
রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলীয় প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। 

রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জোট শরিকদের এক যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ বৈঠকে জোটের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদসহ জোটের অন্য শীর্ষ নেতারা।

৩৫ বছর পর আবার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন

কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশে ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। 

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতি পদে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছিল। সেই নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের কাছে ৮০ ভোটে পরাজিত হন। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।

সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২১১টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট জয়লাভ করে ৬৮টি আসনে। জামায়াত জোটের শরিকদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং খেলাফত মজলিস ১টি আসনে জয় পায়। 

এছাড়া বিএনপির জোট শরিকদের মধ্যে বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ ১টি করে আসনে জয়ী হয়। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি আসনে জয়লাভ করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।