এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বলীপাড়া বাজার শেডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রীর পুত্র সাচিংপ্রু জেরীর পক্ষ থেকে পাঠানো এসব সহায়তা থানচি উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মংশৈম্রাই মারমা, থানচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো, সাবেক সহসভাপতি ক্যসাউ মারমা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, রেমাক্রী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মংএনু মারমা, সাধারণ সম্পাদক উবামং মারমা, থানচি সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু নোমান, তিন্দু ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা এবং উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মংসাগ্য মারমা। এ ছাড়া স্থানীয় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা বলেন, “বিপদগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা নয়, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মানবিক দায়িত্ব। আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও উপার্জনের মাধ্যম পুড়ে ছাই হলেও তাদের মনোবল যাতে ভেঙে না পড়ে, সে জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে পাশে থাকতে হবে।”
তারা আরও বলেন, সরকারি ও প্রশাসনিক সহায়তার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। এই সাময়িক সহায়তা তাদের ঘুরে দাঁড়াতে কিছুটা হলেও সাহস জোগাবে। ভবিষ্যতেও দুর্গম এই পার্বত্য জনপদের মানুষের যে কোনো দুর্যোগ ও সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমন দুঃসময়ে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং দোকানঘরগুলো পুনরায় নির্মাণের জন্য সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংকঋণ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
বান্দরবান | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ঢাকা | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।