এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
অন্ধকার ভেদ করে আলোর জয়গান গাওয়ার সর্বজনীন উৎসব দীপাবলি বা দেওয়ালি। আক্ষরিক অর্থে এর রূপ ‘প্রদীপের সারি’ বা আলোর সমাহার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ও আনন্দঘন এই উৎসবটি প্রতি বছর কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়।
মাগুরার সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলায় রোববার (৮ নভেম্বর) শুরু হতে যাচ্ছে এ উৎসব, যা সোমবার অমাবস্যা তিথির সমাপ্তির মধ্য দিয়ে শেষ হবে। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যেই জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে বিরাজ করছে আনন্দঘন পরিবেশ।
প্রদীপ প্রজ্বলন আর আতশবাজির ঝলমলে রোশনাইয়ের বাইরে দীপাবলি মূলত মানবাত্মার জাগরণ, আত্মশুদ্ধি এবং সমাজে জ্ঞান, শান্তি ও সম্প্রীতির আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক শাশ্বত বার্তা বহন করে। এই উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক তাৎপর্য, যা এটিকে এক বহুমাত্রিক মহিমা দান করেছে।
বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য ও আবেগঘন অংশ জুড়ে রয়েছে দীপাবলির রাতে শ্যামা পূজা তথা দেবী কালীর আরাধনা। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অশুভ শক্তি ও অসুরবৃত্তিকে বিনাশ করতেই দেবী কালী আবির্ভূত হয়েছিলেন সংহারী রুদ্ররূপে। একই সাথে এই পুণ্যলগ্নে ধনসম্পদের দেবী লক্ষ্মী এবং সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনা করা হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যবসায়ীরা নতুন আর্থিক বছরের শুভ সূচনা উপলক্ষে ‘হালখাতা’ খুলে ব্যবসায়িক সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রার্থনা করেন।
পৌরাণিক অন্য এক আখ্যানে রয়েছে, এই দিনেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অত্যাচারী অসুর নরকাসুরকে বধ করে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেছিলেন অগণিত মানুষকে। ফলে দীপাবলি হয়ে উঠেছে অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুক্তির এক চিরন্তন প্রতীক।
ধর্মীয় ও পৌরাণিক গণ্ডি ছাড়িয়ে দীপাবলির প্রতিটি অনুষঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক শিক্ষা। মাটির প্রদীপের জ্বলন্ত শিখা মানুষকে শেখায় অন্তরের লোভ, হিংসা, অহংকার ও অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলোয় জীবনকে উদ্ভাসিত করতে।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দীপাবলির ভূমিকা অনন্য। বাড়ি বাড়ি আলোকসজ্জা, মিষ্টিমুখ করানো এবং উপহার বিনিময়ের মাধ্যমে সমাজে মানুষে মানুষে তৈরি হয় প্রীতির মেলবন্ধন। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই শামিল হন উৎসবের আনন্দে; সুদৃঢ় হয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন।
দিনশেষে দীপাবলি মানুষকে এই শিক্ষাই দেয়—বাইরের জগত কিংবা মনের ভেতরের অন্ধকার যতই গভীর হোক না কেন, সত্য ও কল্যাণের একটি ছোট্ট প্রদীপশিখাই তা সম্পূর্ণ দূর করার অপার ক্ষমতা রাখে।
ডিসেম্বর ১১, ২০২৪
অক্টোবর ১, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
সারাদেশ | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
সারাদেশ | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।