এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক সময়ে সৃষ্ট অস্থিরতা, ভাঙচুর ও নৈরাজ্যের ঘটনায় আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাদের মালিকানাধীন শতাধিক কারখানার একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি বিশেষ মহল দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
তালিকায় যেসব প্রভাবশালী ও প্রতিষ্ঠান
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তৈরি করা তালিকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের কারখানার নাম উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—
সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের রেনেসাঁ গ্রুপ;
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির মালিকানাধীন সেপাল গ্রুপের চারটি কারখানা;
সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদলের তুসুকা গ্রুপ;
আওয়ামী লীগের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের স্টারলিং গ্রুপ;
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের ইসলাম গ্রুপ; এবং
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ।
বহিরাগতদের দিয়ে অস্থিরতার অভিযোগ
এদিকে কারখানার ভেতরে কোনো সমস্যা না থাকলেও বাইরের উসকানিতে পরিস্থিতি ঘোলাটে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ শ্রমিকরা। একাধিক কারখানার শ্রমিক জানান, তাঁদের কারখানার নিয়মিত কর্মীরা কোনো সহিংসতায় জড়াননি। বহিরাগতরা এসে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়, যা তাঁদের কর্মসংস্থান ও জীবিকাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্টাইলিশ গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, "নতুন করে কোনো সংকট তৈরি হলে অনেক কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। গত দুই বছরে এমনিতেই বহু কারখানা বন্ধ হয়েছে, যার ফলে অসংখ্য শ্রমিক বেকার হয়েছেন এবং স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোশাকশিল্পের সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের রুটি-রুজি জড়িত।"
প্রশাসন ও পুলিশের কঠোর বার্তা
শ্রমিক আন্দোলনের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন। তিনি বলেন, "তদন্তে বিভিন্ন নিষিদ্ধ সংগঠন ও তাদের ছাত্রসংগঠনের বেশ কিছু নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততা শনাক্ত করা গেছে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।"
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া জানান, সাধারণ শ্রমিকদের আড়ালে যারা উসকানি দিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে গভীর তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, "কারখানা মালিকদের কারোর বিরুদ্ধে যদি নাশকতায় অর্থায়ন বা উসকানির প্রমাণ মেলে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।"
উল্লেখ্য, উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেই সরকারঘোষিত নতুন মজুরি কাঠামো অনুযায়ী আগামী জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকদের বর্ধিত বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
ফেব্রু ২৮, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
সারাদেশ | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
রাজনীতি | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
বিনোদন | ৮ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৭ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।