এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বাংলাদেশের অপরাধ ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত নাম সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ। ২০০৯ সালের অক্টোবরে গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও, তার বিরুদ্ধে থাকা মৃত্যুদণ্ডাদেশ এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। আইনি জটিলতা আর দীর্ঘসূত্রতার গোলকধাঁধায় আটকে আছে ১১ নারী হত্যাকারীর চূড়ান্ত বিচারিক পরিণতি।
ভয়ংকর অপরাধের ইতিবৃত্ত
চাঁদপুরের বাসিন্দা রসু খাঁ টঙ্গী ও সাভার এলাকার পোশাকশ্রমিক নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলত। এরপর তাদের নির্জন চরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করত। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সে একে একে ১১ জন নারীকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছিল।
বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘপথ
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর ২০১৫ সালের ২২ এপ্রিল শাহিদা হত্যা মামলায় চাঁদপুরের আদালত রসু খাঁকে প্রথম মৃত্যুদণ্ড দেন। এরপর ২০১৮ সালে পারভীন হত্যা মামলা এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই মাসে উচ্চ আদালত তার ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। রায়ের পর এক দশকেরও বেশি সময় পার হলেও ডেথ রেফারেন্স ও আপিল প্রক্রিয়ার দোহাই দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর থমকে আছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ
রসু খাঁর মতো একজন চিহ্নিত সিরিয়াল কিলার রাষ্ট্রের খরচে কারাগারে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেওয়ায় বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিচারের রায় কার্যকর হতে দীর্ঘ সময় লাগলে তা পরোক্ষভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই প্রশ্রয় দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিকদের দাবি, আইনি মারপ্যাঁচ ও দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন রসু খাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের নৃশংস অপরাধ দমনে কঠোর দৃষ্টান্ত স্থাপনই এখন সময়ের দাবি।
জুলাই ৩১, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
আন্তর্জাতিক | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সারাদেশ | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আইন আদালত | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
ভারত | ৭ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।