এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরাও।
বিক্ষোভের চিত্র:
জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনার জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শত শত শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেরিয়ে আসেন। ‘টারজান পয়েন্ট’ এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মিছিলে নানা প্রতিবাদী স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
শিক্ষার্থীদের দাবি:
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. অভিযুক্তকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
২. ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৩. ক্যাম্পাসের অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা।
৪. নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার জবাবদিহি করা।
৫. বিচার না হওয়া পর্যন্ত সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখানেও যদি আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়, তবে প্রশাসনের কাজ কী? প্রক্টর বলছেন এই দায় তার নয়, তাহলে এই দায়ভার কে নেবে?" তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্রশাসনের বক্তব্য:
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, "আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। অপরাধীকে চিহ্নিত করতে এবং গ্রেপ্তার করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ধরনের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ে দুষ্কৃতকারীকে আইনের আওতায় আনতে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. একেএম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি:
ঘটনার পর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছেন তারা। দোষী ব্যক্তি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
নভেম্বর ৮, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
হলিউড | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ক্রিকেট | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
রাজনীতি | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।