এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ শুরু হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ে পৌঁছালে ট্রাম্পকে জাঁকজমকপূর্ণ রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। ২০১৭ সালের পর মার্কিন কোনো প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম চীন সফর, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
রাজকীয় অভ্যর্থনা ও উষ্ণতা
বৈঠকের শুরুতে লাল গালিচায় ট্রাম্পকে স্বাগত জানান সি চিন পিং। দুই নেতার হাসিখুশি করমর্দন এবং সৌজন্য বিনিময় ছিল চোখে পড়ার মতো। সামরিক গার্ড অব অনার এবং শিশুদের পতাকাবাহী অভিবাদনের মধ্য দিয়ে ট্রাম্পকে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।
আলোচনার মূল এজেন্ডা
দুই পরাশক্তির এই বৈঠকে বেশ কিছু অমীমাংসিত ও সংবেদনশীল বিষয় স্থান পাচ্ছে:
১. বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি: দুই দেশের চলমান বাণিজ্য স্থবিরতা কাটিয়ে বাজার উন্মুক্ত করা এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
২. ইরান সংকট: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা এবং এর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতা নিরসন।
৩. তাইওয়ান ইস্যু: তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব নিয়ে চীনের তীব্র আপত্তি।
৪. প্রযুক্তি ও এআই: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানির ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিলকরণ।
ক্ষমতার সমীকরণে পরিবর্তন
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বৈঠকে ট্রাম্প কিছুটা নড়বড়ে অবস্থানে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় ট্রাম্প রাজনৈতিক চাপের মুখে আছেন। অন্যদিকে, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে থেকে আলোচনার নিয়ন্ত্রণ করছেন। আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে ‘জি-২’ (বিশ্বের দুই প্রধান শক্তির যৌথ আধিপত্য) ধারণা নিয়ে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ক্রমবর্ধমান মর্যাদাকে স্বীকার করে নিতে বাধ্য হচ্ছে।
প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি
ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো চীনের বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্য, বোয়িং বিমান এবং জ্বালানি বিক্রির পথ প্রশস্ত করা। বিপরীতে বেইজিং চাইছে উন্নত চিপ তৈরির প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি সচল রাখতে ইরান সংকটের সমাধান করা চীনেরও নিজস্ব স্বার্থ। তবে চীন কতটা ছাড় দেবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, দুই দিনের এই সফর শেষে ২০২৫ সালের শেষ দিকে সি চিন পিংয়ের একটি পাল্টা যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে। আজকের এই বৈঠকটি বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১২ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১২ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১২ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১২ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।