এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা পরিমার্জন করে একটি যুগোপযোগী ও অভিন্ন রূপরেখা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সর্বস্তরের স্থানীয় নির্বাচনে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বিধির তুলনামূলক চিত্র প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ‘আইন ও বিধি সংশোধন সংস্কার কমিটি’র প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির প্রধান ও জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। এতে ইসির নির্বাচন পরিচালনা ও আইন শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “সরকার এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মূল আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। সেই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধন করা এখন সময়ের দাবি। কর্মকর্তারা বর্তমানে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করছেন, যাতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর বিধিমালা তৈরি করা যায়।”
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—অপ্রয়োজনীয় প্রার্থী সংখ্যা কমাতে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো, পরিবেশ সুরক্ষায় নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) পরিবর্তে পুনরায় সনাতনী কাগজের ব্যালটে ভোটগ্রহণের বিষয়টি।
ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ হাজার ১০০টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরেই ৩ হাজার ৭৫৫টি এবং আগামী বছর ৩৪৯টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভেঙে দেওয়া ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা এবং ৬১টি জেলা পরিষদ বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে।
নির্বাচন অনুষ্ঠানের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আগেই আইনি সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায় কমিশন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সংস্কারের ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৮ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৮ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ | ২৮ জুন, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৮ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।