টঙ্গীবাড়ীতে প্রশাসনের অভিযানে যুবদল নেতার ভেক্যু ভেঙ্গে দেয়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে অবৈধভাবে ভেক্যু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ফসলি জমি কাটার ঘটনায় প্রশাসনের অভিযানের পর দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, রোববার বিকেলে উপজেলার সিদ্দেশ্বরী বাজারের পূর্ব পাশে রাউৎভোগ বিল এলাকায় অবৈধভাবে ফসলি জমি কাটার অভিযোগে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াজেদ ওয়াসিফ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় অভিযানে ব্যবহৃত ভেক্যু মেশিনটি বিনষ্ট করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানে ভেক্যু মেশিনটি বিনষ্ট করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাত ৮টার দিকে সিদ্দেশ্বরী বাজার এলাকায় টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার প্রতিনিধি ফিরুজ আলম বিপ্লব এবং দৈনিক সময় বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি হোসেন হাওলাদারের ওপর হামলা চালানো হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফিরুজ আলম বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, “উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক, ছাত্রদল নেতা সজিব রায়হান, পাঁচগাঁও ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, পাঁচগাঁও ইউনিয়ন যুবদল নেতা সোহেল মোল্লাসহ ১০-১২ জন আমার চাচা শাহিন শেখ এর দোকানে এসে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মারধর করে। আহত অপর সাংবাদিক হোসেন হাওলাদার বলেন, ইকরাম মল্লিক আমাকে ফোন করে সিদ্ধেশ্বরী বাজারে এনে মারধর করেন। এসময় তার সাথে আরো ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী ছিলো। ইকরাম মল্লিক বলেন,আমরা নাকি তার ভেক্যুর তথ্য প্রশাসনকে দিয়েছি। হামলার পর স্থানীয় এলাকাবাসী আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তারা চিকিৎসা গ্রহণ করেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমি সাংবাদিকদের মারধর করিনি, শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?
এমএ কাইয়ুম মাইজভান্ডারি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জঃ