এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলা হতে পারে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী। এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের এক অপার সম্ভাবনা বিরাজ করছে। তবে যথাযথ সরকারি উদ্যোগ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই সম্ভাবনা এখনো আলোর মুখ দেখছে না। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করলে এই খাত থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হবে।
সরেজমিনে জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এখানকার নদী, সেচ খাল এবং বাঁধগুলোকে কেন্দ্র করে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, তিস্তা প্রধান সেচ খালের জলঢাকা পৌরসভার দুন্দিবাড়ী হতে কৈমারীর বড়ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত খালের দুই ধারের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম। খালের দুই পাশে বসার সুব্যবস্থা, বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছ রোপণ এবং জলপথে পায়ে চালিত নৌকার ব্যবস্থা করলে এটি একটি দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।
এ ছাড়া বড় তিস্তার স্পার বাঁধ ও শহর রক্ষা বাঁধ এলাকাকে কেন্দ্র করেও ব্যাপক পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় বনায়ন এবং নদীতে স্পীড বোট ও নৌ ভ্রমণের ব্যবস্থা করলে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের পর্যটকদেরও নজর কাড়বে।
শহরের প্রাণকেন্দ্র জলঢাকা পৌরসভার ডাকুরডাঙ্গা এলাকায় একটি অত্যাধুনিক নভোথিয়েটার ও চিড়িয়াখানা স্থাপনের দাবি দীর্ঘদিনের। বিনোদনের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবি জানিয়ে আসছেন। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে ডাকুরডাঙ্গা।
অন্যদিকে, বুড়ি তিস্তা নদীর মিলনস্থল শৌলমারীর বানপাড়া থেকে শুরু করে কৈমারী হয়ে আনছারের হাটের ঘাট পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধটিকেও পর্যটনবান্ধব করার সুযোগ রয়েছে। বাঁধের ওপর বসার জায়গা এবং নদীতে স্পীড বোট ও আধুনিক নৌযান পরিচালনার মাধ্যমে এলাকাটিকে একটি মিনি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
জলঢাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে জলঢাকা শুধু একটি উপজেলা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের একটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে। এতে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারও সমৃদ্ধ হবে। এখন কেবল প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সরকারি পরিকল্পনা ও তার সঠিক বাস্তবায়ন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৮ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৮ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ | ২৮ জুন, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৮ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।