এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নওগাঁর আত্রাইয়ে অবাধে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটিতে হাঁটু পর্যন্ত কাদা জমে যাওয়ায় বোরো মৌসুমে উৎপাদিত ধান মাঠ থেকে ঘরে তুলতে চরম হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। পণ্য পরিবহনে ভোগান্তির পাশাপাশি স্কুল-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলও কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের কয়সা গ্রামটি ভবানীপুর-শাহাগোলা পাকা সড়কের নিকটবর্তী একটি জনবহুল জনপদ। গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে শুধু কয়সা নয়, বরং তারাটিয়া, বড়ডাঙ্গা, হাতিয়াপাড়া, মির্জাপুর ও মাগুড়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। মাঠের ফসল ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার এটিই প্রধান পথ।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটির কিছু অংশ আরসিসি ঢালাই করা থাকলেও প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ মিটার পথ এখনো কাঁচা রয়ে গেছে। সম্প্রতি কয়েকদিনের বৃষ্টিতে এবং রাস্তাটি দিয়ে অতিরিক্ত মাটিবাহী ট্রাক্টর চলাচলের ফলে এটি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠের একটি পুকুর খনন করে সেই ট্রাক্টর বোঝাই মাটি প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে। লাগামহীন ট্রাক্টর চলাচলের ফলেই রাস্তার এই মরণদশা।
গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস ছালাম জানান, গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটি। বর্তমানে রাস্তাটির যা অবস্থা, তাতে শিক্ষার্থীরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। সাধারণ মানুষের চলাচলও দায় হয়ে পড়েছে।
আক্ষেপ করে কৃষক আসলাম হোসেন বলেন, “বোরো মৌসুমের শুরু থেকেই রাস্তার অবস্থা খারাপ। এখন ধান কাটার সময়, কিন্তু রাস্তা খারাপ হওয়ায় ধান ঘরে তোলা আমাদের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। কাদার কারণে শ্রমিকদের দ্বিগুণ মজুরি দিতে হচ্ছে। আবার যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ধান বাজারে নিতে পারছি না, ফলে বাধ্য হয়ে পানির দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা ইমাম হোসেন জানান, রাস্তাটি আগে মোটামুটি চলার উপযোগী ছিল। কিন্তু পুকুর খননের মাটি ট্রাক্টরে করে এই পথে নেওয়ায় রাস্তাটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এলাকাবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে শাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম মামুনুর রশিদ বলেন, “রাস্তাটির কিছু অংশে ইতিমধ্যে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট অংশের সংস্কারের জন্য আমরা নতুন প্রকল্প দাখিল করেছি। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে পুরো রাস্তাটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে টেকসইভাবে সংস্কার করা হবে। আশা করছি দ্রুতই এলাকাবাসীর এই দুর্ভোগ লাঘব হবে।”
ফেব্রু ৪, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
রাঙ্গামাটি | ২৯ জুন, ২০২৬
কুমিল্লা | ২৯ জুন, ২০২৬
রাজবাড়ী | ২৯ জুন, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ২৯ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।