সুবর্ণচরে চাল জব্দ: অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে জামায়াতের ব্যাখ্যা
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়ায় কেনা চাল নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।
শনিবার (১৬ মে) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১নং চরজব্বার ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুজাহিদুল আহমেদ এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার পোড়াগাছা ও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের কয়েকটি মাদ্রাসার অনুকূলে বরাদ্দকৃত সরকারি চাল নিয়ম মেনে কেনা হয়েছিল। ‘স্মার্ট বাজার ডেইলি শপ’-এর স্বত্বাধিকারী ও ডিলার আলী আজগর প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে এই চাল সংগ্রহ করেন।
যেসব মাদ্রাসা থেকে চাল কেনা হয়েছে সেগুলো হলো— শিক্ষাগ্রাম দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া নূরানী মাদ্রাসা এবং ইখলাস নূরানী কওমি মাদ্রাসা। জামায়াতের দাবি, এই লেনদেনের সকল বৈধ কাগজপত্র ও রসিদ তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, চাল কেনাবেচার এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সামাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।
জামায়াত নেতারা বিষয়টিকে ‘ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ব্যক্তিগতভাবে দায়ী না হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করবে।
পরিশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, মিথ্যা ও অপপ্রচার চালিয়ে সত্যকে কখনো ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়।
What's Your Reaction?
অনলাইন ডেস্কঃ