এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। ছয় দিনব্যাপী শ্রদ্ধা নিবেদন ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী চার দিনের মধ্যে তাকে দাফন করা হবে। তবে বাবার এই অন্তিম যাত্রায় পাশে দেখা যাচ্ছে না তার দ্বিতীয় ছেলে ও ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে। বাবার জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ায় তার উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এই অনুপস্থিতি বিশ্বজুড়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
নেতৃত্বের দায়িত্ব ও অন্তরালে চলে যাওয়া
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব কাঁধে নেন ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারি শেষের ওই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাকে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল বলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অনুপস্থিতির কারণ
বাবার শেষ বিদায়ে মোজতবা খামেনির অনুপস্থিতি নিয়ে নানামুখী আলোচনা থাকলেও তেহরান জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টিকেই এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার জন্য ইসরায়েলের অব্যাহত হুমকির কারণে কঠোর নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রয়াত নেতার অপূরণীয় ক্ষতির পর ইরান এই মুহূর্তে নতুন কোনো ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত নয়। তাই বর্তমান নেতা আপাতত পর্দার আড়ালেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি ঠিক কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই হামলায় মোজতবা খামেনির বাবা আলী খামেনি ছাড়াও তার বোন, স্ত্রী, ভগ্নিপতি এবং ১৪ মাস বয়সী এক ভাগনি নিহত হন। হামলায় মোজতবা খামেনি নিজেও আহত হয়েছিলেন।
জনসমক্ষে না এলেও সক্রিয় দাপ্তরিক কাজে
সরাসরি সামনে না এলেও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে মোজতবা খামেনির একাধিক লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
গত ১৮ জুন ইরানি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি ইরানি জনগণ ও ‘প্রতিরোধ ফ্রন্টের’ অধিকার রক্ষা করবে—কর্মকর্তাদের এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে ব্যক্তিগত দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও তিনি এতে অনুমোদন দিয়েছেন।
পরবর্তীতে ২৮ জুন দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি তার বাবার হত্যাকাণ্ডসহ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিশ্লেষকদের মতে, তীব্র নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আপাতত অন্তরালে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ জুলাই, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ৫ জুলাই, ২০২৬
ফুটবল | ৫ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ৫ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।