এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মহান বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১০ জানুয়ারিকে বিজয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এ ছাড়া, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরকে ‘বিজয় দিবস’ না বলে ‘আত্মসমর্পণ দিবস’ (সারেন্ডার ডে) হিসেবে গণ্য করার পক্ষেও মত দিয়েছেন তিনি।
গত ১৫ জুলাই একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন এই রাজনীতিক। এর আগে ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর এক আলোচনা সভায় ‘১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস মানি না’ মন্তব্য করে নতুন বিজয় দিবসের খোঁজ করার যে তাগিদ তিনি দিয়েছিলেন, উপস্থাপকের প্রশ্নের সূত্রে সেই বক্তব্যেরই ব্যাখ্যা দেন ফুয়াদ।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার ও ভারতের মধ্যকার একটি কথিত ‘সাত দফা চুক্তি’র প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, ভারতের সক্রিয় সামরিক সহায়তা পাওয়ার শর্ত হিসেবে এই চুক্তি করা হয়েছিল, যা অত্যন্ত স্পর্শকাতর ছিল। চুক্তির শর্তানুযায়ী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারতের নীতি দ্বারা প্রভাবিত থাকার কথা ছিল এবং পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করবে—এমন কিছু বিষয় সেখানে ছিল। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো সংসদে পাস (রেটিফাই) করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
১৬ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর দেশের বিভিন্ন মহকুমায় ভারতীয় সেনা কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তবে শেখ মুজিবুর রহমান দিল্লি হয়ে দেশে ফিরে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সফল আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার নিশ্চিত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শেখ মুজিব একা বাংলাদেশকে আরেকবার স্বাধীন করেছেন ভারতীয় সৈন্যদের বিদায় করে। তাই দেশ থেকে যেদিন সব বিদেশি সৈন্য বিদায় নিয়েছে অথবা শেখ মুজিব যেদিন ফিরে এসেছেন (১০ জানুয়ারি), সেটিকে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে বিজয় দিবস করা যেতে পারে।”
নিজের অবস্থানের আরও ব্যাখ্যা দিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “আমি বিজয় দিবস মানি না—বিষয়টি এমন নয়। আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আমরা আমাদের মুক্তির লড়াইয়ে জিতেছি। তবে ১৬ ডিসেম্বরকে আমরা ‘আত্মসমর্পণ দিবস’ হিসেবে দেখতে পারি এবং প্রকৃত বিজয় দিবস হিসেবে ১০ জানুয়ারি বা মার্চের শেষভাগকে বেছে নেওয়া যেতে পারে।”
মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, “শেখ মুজিবকে সামনে রেখেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। অস্থায়ী সরকার থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা—সবাই শেখ মুজিবের নামেই যুদ্ধ করেছেন। এমনকি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ফলে শেখ মুজিবকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের কোনো আলোচনা হতে পারে না।”
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৮ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ১৮ জুলাই, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৮ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৮ জুলাই, ২০২৬
মাগুরা | ১৮ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।