দৌলতপুরে হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে উধাও শ্বশুরবাড়ির লোকজন

দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ মোঃ হারুন অর রশীদ
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৮:১২ পিএম
শেয়ার করুন:
দৌলতপুরে হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে উধাও শ্বশুরবাড়ির লোকজন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পিংকি খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। 

নিহত পিংকি খাতুন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাসিন্দা। তার স্বামীর নাম রিন্টু আলী (পিতা: রফেজ উদ্দিন)। তারা দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মাদাপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পিংকি খাতুনকে অচেতন অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই স্বজনরা কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে মরদেহটি জরুরি বিভাগেই ফেলে রেখে কৌশলে সটকে পড়েন।

বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহবধূর মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় নানা রহস্য ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ খালিদুর রহমান বলেন, "হাসপাতালে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।"

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।