এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামসংলগ্ন ‘ফকির দেওয়া’ এলাকায় বিনোদনের নামে চলা একটি গ্রামীণ মেলার আড়ালে জমজমাট জুয়ার আসর বসার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দিনের আলো নিভে রাত ৯টা বাজলেই মেলার স্বাভাবিক রূপ বদলে গিয়ে তা পরিণত হচ্ছে জুয়াড়িদের উন্মুক্ত আখড়ায়। এতে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেনে সর্বস্বান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। মেলা প্রাঙ্গণের অদূরেই পুলিশ ক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
দিনে বিনোদন, রাতে জুয়ার স্বর্গরাজ্য
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর গ্রামের পাশে ফকির দেওয়া এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে এই মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। চলতি বছরেও নানা দোকানপাট ও বিনোদনের সামগ্রী নিয়ে মেলা শুরু হয়। দিনের বেলায় শিশু-কিশোর ও পরিবারের সদস্যদের পদচারণায় মেলা মুখর থাকলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। রাত ৯টার পর মেলার নির্ধারিত কিছু অংশে বসে কোটি টাকার ‘চকবোর্ড’ ও রকমারি জুয়ার আসর। আশপাশের গ্রাম তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও প্রভাবশালী জুয়াড়িরা এখানে ভিড় জমায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সর্বস্বান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, জুয়ার এই সর্বনাশা নেশায় জড়িয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন এলাকার শ্রমজীবী, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা। অনেকেই এক রাতেই লাখ লাখ টাকা খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে কেউ ঘরের সঞ্চিত অর্থ ভাঙছেন, কেউ সুদে ধারদেনা করছেন, আবার কেউ পরিবারের স্বর্ণালংকার এমনকি শেষ সম্বল জমি-জায়গাও বিক্রি করে দিচ্ছেন। এর ফলে পরিবারগুলোতে নিত্যদিনের কলহ, বিচ্ছেদ ও চরম সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।
পুলিশ ক্যাম্পের কাছেই জুয়া: নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। শেরপুর গ্রামের খুব কাছেই রয়েছে একটি পুলিশ ক্যাম্প। ক্যাম্পের এত কাছাকাছি প্রকাশ্যে গভীর রাত পর্যন্ত এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও প্রশাসন কেন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে রহস্য দানা বাঁধছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেলার এই জুয়া সিন্ডিকেটের পেছনে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও অপরাধ চক্রের পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই নির্বিঘ্নে এই জুয়ার কারবার চালানো হচ্ছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
এলাকার সচেতন মহলের মতে, গ্রামীণ মেলার আড়ালে কোনোভাবেই এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া যায় না। এতে এলাকার যুবসমাজ ও সামাজিক পরিবেশ পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পড়ছে। অবিলম্বে মেলার প্রশাসনিক অনুমোদন যাচাই এবং রাতের বেলা পরিচালিত অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টসহ কঠোর পুলিশি অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অন্যথায় এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
ফেব্রু ২৫, ২০২৫
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ঢাকা | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।