এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) একটি আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফি পরিশোধে এখনো চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন বা ক্যাশলেস পেমেন্ট ব্যবস্থা। ফলে সেমিস্টার ও অন্যান্য নির্ধারিত ফি জমা দিতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষাসহ সামগ্রিক একাডেমিক কার্যক্রম।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। টাকা জমার জন্য হল, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ব্যাংকের মধ্যে বারবার ছোটাছুটি করতে হয়। বিশেষ করে নির্দিষ্ট ব্যাংকিং সময় ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেকেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা দিতে পারেন না। ফলে পরবর্তী সময়ে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফলিত গণিত বিভাগের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী মঞ্জিল ভূঁইয়া বলেন, “একাডেমিক পড়াশোনা বাদ দিয়ে আমাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হচ্ছে। ২০২৬ সালে এসেও আমরা যদি ১৯০০ সালের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিই, তবে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। প্রশাসনের উচিত দ্রুত এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।”
সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী সামিয়া ইসলাম বলেন, “একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখনো ক্যাশলেস ব্যাংকিং চালু না হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই হতাশাজনক। ব্যাংকে দীর্ঘ লাইন ও দফায় দফায় হল-বিভাগে যাতায়াতের কারণে সময়মতো ফি দেওয়া সম্ভব হয় না, ফলে গুনতে হয় বাড়তি জরিমানা। অথচ ঘরে বসে কয়েক মিনিটেই অনলাইন পেমেন্ট করা সম্ভব হলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতি—উভয়ই এড়ানো যেত।”
শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমান ডিজিটাল যুগে অর্থ পরিশোধের মতো একটি মৌলিক সেবায় সনাতনী ব্যাংকনির্ভরতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দ্রুত অনলাইন গেটওয়ে চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা ঘরে বা হলে বসেই নিরাপদে ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের সমস্ত লেনদেন ক্যাশলেস করার অঙ্গীকার করেছিলাম। বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর না হলেও প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ নিয়ে ইউসিবি ব্যাংকের সাথে কথা হয়েছে; তাদের একটি সফটওয়্যার প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব আইসিটি সেলেরও একটি সফটওয়্যার আছে। দুই পক্ষের সাথে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য যেটি সবচেয়ে উপযোগী ও সহজ হবে, দ্রুত সেটি চালুর ব্যবস্থা করা হবে। আমার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ক্যাশলেস করা।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগের কথা জানানো হলেও বাস্তবে এখনো এর প্রতিফলন না থাকায় ভোগান্তি নিয়েই সনাতন পদ্ধতিতে ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং মূল্যবান একাডেমিক সময় রক্ষায় অতি দ্রুত ক্যাশলেস ব্যাংকিং ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দেখতে চান নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা।
নভেম্বর ২৫, ২০২৪
ফেব্রু ২৮, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।