এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাবমেরিন থেকে একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এসএলবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। গত সোমবার (৬ জুলাই, ২০২৬) এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে চীনের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বেইজিংয়ের বক্তব্য ও ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ
চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) নৌবাহিনীর মুখপাত্র সিনিয়র ক্যাপ্টেন ওয়াং শুয়েমেং এক বিবৃতিতে জানান, এটি চীনের নিয়মিত বার্ষিক সামরিক মহড়ার অংশ ছিল। উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটিতে কোনো আসল পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল না; এর পরিবর্তে একটি ডামি ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন ও প্রচলিত নিয়ম মেনেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এই পরীক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আগেই অবহিত করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তবে একটি আঞ্চলিক সূত্রের তথ্যমতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ফেডারেটেড স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, কিরিবাতি ও টুভালুর একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে কিরিবাতি বা টুভালুর সীমান্তসংলগ্ন সমুদ্রে পতিত হয়।
ওয়াশিংটনের উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা চীনের এই পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, চীনের দ্রুত এবং অস্বচ্ছ পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এই অঞ্চল ও বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। তারা বেইজিংকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অর্থবহ আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিনের সক্ষমতা
চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মডেল প্রকাশ করেনি। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি চীনের সর্বাধুনিক ‘জেএল-২’ বা ‘জেএল-৩’ প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে। এর মধ্যে ‘জেএল-৩’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা অত্যন্ত দীর্ঘ, যা দক্ষিণ চীন সাগর থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম।
বর্তমানে চীনের নৌবাহিনীর বহরে ছয়টি টাইপ-০৯৪ বা ‘জিন’ শ্রেণির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন রয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস) জানায়, এর আগে ২০১৮ এবং ২০১৯ সালেও বেইজিং জেএল-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল।
আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
চীনের এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে:
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
আন্তর্জাতিক | ৮ জুলাই, ২০২৬
ভারত | ৮ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৮ জুলাই, ২০২৬
কিশোরগঞ্জ | ৮ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ৮ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।