এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের আলীকদমে বাজারের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান ও পরিদর্শন কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর (বুধবার) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আলীকদম বাজার ও পানবাজার এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে যৌথ নেতৃত্ব দেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং আলীকদম সেনাজোনের জোনাল স্টাফ অফিসার। অভিযানে সার্বিক সহায়তায় উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল।
অভিযানকালে প্রতিনিধি দলটি বাজারের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন পয়েন্টের সিসিটিভি ক্যামেরার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়। এছাড়া ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি, সড়কের ওপর মালামাল রেখে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। এ সময় সড়কে যত্রতত্র অটোরিকশা, চাঁদের গাড়ি ও থ্রি-হুইলার পার্কিং না করার কড়া নির্দেশ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সরিয়ে সড়ক যানজটমুক্ত করা হয়।
পরিদর্শনকালে আলীকদম বাজার ও পানবাজারের মাছ বাজার অংশের চরম অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে পরিদর্শনকারী দল। বিশেষ করে পানবাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় সেখানে কোনোভাবেই যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এ সময় বাজার কমিটিকে আগামী ৩ (তিন) দিনের মধ্যে বাজার ও পার্শ্ববর্তী ড্রেনগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণের চূড়ান্ত সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দেওয়া হয়।
মূল লক্ষ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হওয়ায় প্রথম দিনে কাউকে জরিমানা কিংবা শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। তবে ছোটখাটো অনিয়মগুলো দ্রুততম সময়ে সংশোধন করে উপজেলা প্রশাসন ও জোন কার্যালয়ে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি সচেতনতামূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাজারের স্থায়ী নিরাপত্তা, যানজট নিরসন এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও সেনাজোনের এ যৌথ পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতা ও পথচারীরা। জনস্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান আগামীতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে যৌথ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নোয়াখালী | ৪ নভেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ৪ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৪ নভেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৪ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।